নিঃস্বার্থ-ভালোবাসা – What is Love

“পম গানা” নামে পরিচয় পাওয়া “জলন্ত জলিলের” এই মুভিটা সত্যিকার অর্থে অনন্তর আগের মুভি গুলো থেকে ভাল হয়েছে। হল ভর্তি দর্শকই তার প্রমান। ছবির শুরু খুবই সাধারন ভাবে। নায়িকা বর্ষা মডেলিং এ ক্যারিয়ার গড়তে নানাWhat is loveন সমস্যায় পড়তে দেখা যায়। অপরদিকে আমাদের অনন্ত ভাই এই ছবিতে একজন স্বনামধন্য তারকা এবং সুপ্রতিষ্ঠিত আদর্শবান ব্যাবসায়ী। ছবির এই পর্যায়ে “গ্যাংনাম স্টাইল” এর সুরে অনন্ত গান গাওয়া শুরু করে “ঢাকার পোলা ভেরি ভেরি স্মার্ট” (আমি ঢাকার পোলা বলেই কিনা জানিনা গানটা শুনতে খারাপ লাগে নাই তেমন। :P ) আমাদের ব্যস্ত অনন্তর সাক্ষাত পাওয়া দায় তার পরও নায়িকা বর্ষা অনন্তর “ভাইয়ার” দেখা পায়। অতঃপর কিভাবে অনন্ত ভাইয়া বর্ষার প্রেমিক হয়ে গেল আমি ঠিক বুঝলাম না। ছবির বাকি কাহিনী এগিয়েছে খুব সাধারন ভাবেই। অনন্ত শুধু যে বর্ষার বাড়ি, গাড়ি দিয়েছে তাই নয়। বর্ষার বাবা, মা, বোনদের জন্য থাকার ব্যবস্থা করে দেয়। বর্ষার ইচ্ছা মিডিয়াতে ক্যারিয়ার গড়বে। অনন্ত বর্ষাকে নিয়ে শুরু করে মিডিয়ার ক্যারিয়ার নতুন অধ্যায়। এই সময় এই ছবির এক দুষ্ট চরিত্র কাবিলা বর্ষার কাছে আসে কিছু মিডিয়ার কাজের প্রপজাল নিয়ে (যদিও মূল উদ্দ্যেশ্য বর্ষাকে ব্যাকমেল করা)। বর্ষা যখন একের পর এক লাল পানি খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে তখনই অনন্তের আগমন নায়িকাকে উদ্ধার করতে। এভাবেই এগিয়ে চলে ছবির কাহিনী। বর্ষা লুকিয়ে প্রেম করে অন্য ছেলের সঙ্গে সেটা যখন অনন্তের কাছে ধড়া পরে তখন বর্ষা অনন্তের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে। সেই ছেলে যখন বর্ষাকে ছেড়ে দেয় তখন বর্ষা আবার অনন্তের কাছে ক্ষমা চেয়ে ফেরত যায়। গো বেচাড়া অনন্ত ভালবাসার ফাঁদ থেকে বের হতে পাড়েনা তাই বর্ষা কে আবার কাছে টেনে নেয়। কিন্তু চূড়ান্ত ফাঁটল ধরে যখন দুঃষ্ট কাবিলা আবাও চাকচিক্যপূর্ণ মিডিয়ার প্রপজাল নিয়ে আসে। এখানে কাবিলার সঙ্গে ফাইনাল বসের (মিশা) আগমন। বলতেই হয়। মিশা ভিলেন হিসাবে আসলেও দূর্দান্ত। অনন্তর নিষেধ সত্ত্যেও মিশার সঙ্গে বর্ষার কাজ করতে চাওয়া তে অবশেষে বর্ষা ও অনন্তের সম্পর্কের ইতি ঘটে। অনন্ত তার সমস্ত সম্পত্তি বর্ষার নামে লিখে দিয়ে আত্মহত্যা করতে যায়। এদিকে মিশা খবর পায় বর্ষার নামে সব সম্পত্তি লিখে দেওয়া হয়েছে তাই মিশা বর্ষা কি আটকে অনন্তকে আসতে বলে বর্ষা কে উদ্ধার করতে। অনন্ত আত্মহত্যার পূর্ব মুহুর্তে এই খবর শুনতে পেয়ে উদ্ধার করতে আসে বর্ষাকে। বর্ষাকে উদ্ধারের মদ্ধ্যে শেষ হয় ছবির কাহিনী। ——– এই ছবির কাহিনী খুবই সাধারন কিন্তু খুবই বাস্তব। আমাদের সমাজের চার পাশে এই ধরনের সম্পর্কের টানা পোড়া আমরা পায়ই দেখি। তবে ছবির কাহিনির উপস্থাপনা ততটা ভাল ছিল বলে মনে হয় নি। এই ছবির একটা ভাল দিক আমার কাছে মনে হয়েছে ছবির গান গুলো। ছবির প্রতিটা গানেই আছে ভিন্নতা। আমার মনে হয় এই ক্ষেত্রে অনন্তকে তারিফ করতেই হয় । তবে আমার দৃষ্টিতে এই ছবির সব চেয়ে ভাল দিক ছিল ছবির একশান দৃশ্য গুলা। বাংলা ছবির তুলনায় একশান দৃশ্য গুলা একটু বেশি উচু মানের হয়ে গেছিল। আমার কাছে মনে হয়েছে। অনেক নামকরা হিন্দি ছবির তুলনায় ভাল করেছে অনন্ত। এই ছবি তে আমি যেটা পাইনাই তা হল সারপ্রাইজ। ভাল এবং বড় মাপের কোন সারপ্রাইজ থাকলে ছবিটা দেখে আরো একটু মজা পেতাম। তার পরো বলতেই হয় অনন্ত এই ছবি টা বেশ ভাল করেছে। বলতেই ভুলে গেছিলাম সব চেয়ে উন্নতি হয়েছে অনন্তের কথা বার্তা (বাংলা এবং ইংরেজী)। বলতেই হয় লোকটা চেষ্টা করতেছে। চালায়া যান অনন্ত ভাই।

This article is also in “http://www.bmdb.com.bd/movie/119/reviews/”

নতুন দুনিয়ার খোজে – পর্ব – ২

বোর্ডিং পাড়ায়ঃ

বোর্ডিং পাড়ায় পৌছানোর পর নতুন চিন্তা মাথায় আসল। দল ছাড়া হওয়া বাকি চার জন কি আসতে পারছে নাকি তারা এখনো রাস্তা খুজে বেরাচ্ছে অন্ধকারে। হয়তো মনে মনে সবাই দোয়া করছিলাম তাদের নিরাপদে আসার জন্য। এর মদ্ধ্যে এক দাদা খবর দিলেন ঘন্টা খানেক আগে একটা দল এসেছে, তারা এখন কারবারী বাড়ীতে আছে। বর্ননা শুনে বুঝতে পারলাম ওইটা আমাদের হারিয়ে যাওয়া দলের বাকিরা। আমাদের দলনেতা তখন ঘোষনা দিলেন, যেহেতু তারা ১ ঘন্টা আগে এসেছে সুতরাং তারা যদি মুরগী রান্না না করে থাকে তাহলে হারিয়ে যাওয়ার জন্য কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। এই ঘোষনা শুনে আমরা সবাই উল্লাসে ফেটে পরলাম। মুরগী না পেলেও পাহারি সুস্বাদু আম আর কলা পেয়ে আমরা তার উপর ঝাপিয়ে পরলাম আর তাদের কে ধন্যবাদ দিতে লাগলাম। সাত জন মিলে কয়েক কেজি আম এর চার পাঁচ হালি কলা শেষ করার পরে আমাদের শরীরে যখন একটু শক্তি ফিরে এল তখন বুঝতে পারলাম কয়েক হালি জোকও তখনো আমাদের গায়ে থেকে রক্ত খাচ্ছে। ব্যকপ্যেক খুলে আমরা সবাই যখন নিজেদের ক্ষত জায়গাগুলোতে ঔষধ লাগাচ্ছিলাম তখন সালেহীন, তুর্য ও তার দল খাবার রান্না করতে লাগল। নিজেদের গায়ে ঔষধ লাগানোর পর দেখা গেলো আমাদের কারো বিন্দুমাত্র শক্তি নেই খাওয়াদাওয়া করার। কিন্তু ফয়সাল ভাইয়ের ঝারি খেয়ে শেষ পর্যন্ত আমাদের খেতে বসতে হল। খাওয়ার সময় মনে হচ্ছিল হয়ত খাবার শেষ করার আগেই আমি রান্না ঘরে ঘুমিয়ে পরব। কিন্তু দেখাগেল স্লিপিং ব্যেগে ঢুকার ঘন্টাখানেক পরও ঘুম আসছিল না। মনের ভিতর কেবল একটা অজানা উম্মাদনার অনুভূতি আর পরের দিনের জন্য অপেক্ষা।

প্রথম সকালঃ

আগের দিনের ক্লান্তির কারনে রাতে ঘুম হল সেইরকম। ঘুম থেকে উঠার পরে বোর্ডিং পাড়া দেখতে বের হলাম। চার পাশে ঘন সবুজ পাহার দিয়ে ঘেরা এক অপূর্ব সুন্দর একটি পাড়া। চার পাশে এত সবুজ দেখে মনের ভিতর এক অদ্ভুত অনুভূতি খেলা করতে লাগল। সে অনুভূতি বলার ইচ্ছা করে, কিন্তু সে কথা বলার ভাষা খুজে পাইনা। শুধু এটুকুই মনে হয় ওই জায়গায় থাকা টাই আমার জীবনের সকল অর্জন, বাকি সব কিছু অর্থহীন। কিছুক্ষন ঘুরাঘুরি করার পরে যখন কারবারী বাড়ীতে ফিরলাম তখন ফয়সাল ভাই আমাদের তাড়া দিচ্ছিল যাতে আমরা বৃষ্টি নামার আগে আমরা রউনা দিতে পারি। জায়গা টা ছেড়ে যেতে খারাপ লাগছিল কিন্তু ভাল লাগছিল সামনের না দেখা সুন্দর্যের লোভে। সুপ আর নুডুলস দিয়ে সকালের খাবার শেষ করার পরে যখন আমরা রউনা দিব বলে চিন্তা করছি তখন ঝিরি পথে যাব নাকি পাহার ধরে যাব তা নিয়ে সবাই চিন্তায় পরে গেলাম। ঝিরি পথে গেলে বৃষ্টির জন্য পানি এবং স্রোত এর সমস্যা আমার পাহাড়ী রাস্তায় গেলে কাদা, জোক এর ঘন জঙ্গল। কি করব চিন্তা করতে করতে ঝিরি পথে যার সিদ্ধান্ত নিল সবাই। আর যাই হোক ঝিরি পথে গেলে তো আর জোক এর কামর খেতে হবে না। তাছাড়া পাড়ার দাদারাও বললেন সারা রাত বৃষ্টি না হবার কারনে পানি অনেক কমে গেছে।

এবং পানিপথে যাত্রাঃ

আমরা যখন যাত্রা শুরু করলাম তখন আকাশে হাল্কা মেঘের আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে। সব কিছু মিলিয়ে বেশ চমৎকার আবহাওয়া। মাঝে মাঝে থেমে থেমে হাল্কা-হাল্কা গুড়ি-গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল, সঙ্গে হাল্কা ভয়ও হচ্ছিল যদি জোরে বৃষ্টি শুরু হয়ে যায় তাহলে সমস্যায় পরতে হবে। হাটু সমান ঝিরির পানিতে স্রোতের বিপরীত দিকে আমরা যখন হাটছি তখন মনের ভিতর এক অদ্ভুত বুন উম্মাদনা খেলা করতে লাগল। ঠিক ২৪ ঘন্টা আগে আমরা যখন বান্দরবান শহরথেকে চাঁন্দের গাড়িতে করে থানচির উদ্দ্যেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিলাম আজকে ঠিক সেই সময় বান্দরবান গহীনে কোন এক অজানা ঝিরি পথ ধরে হাটছি। সেই ঝিরির পানি কখনো কখনো হাটু পানি থেকে কোমরের উপর পর্যন্ত চলে আসে। তাই আমাদের কে খুব সাবধানে হাটতে হচ্ছিল। যদিও এই ব্যাপারটা নিয়ে আমরা মোটেও চিন্তিত ছিলাম না কারন আমাদের দলনেতা সুপারম্যান খ্যাতো ফয়সাল ভাই এত চমৎকার দেখাচ্ছিলেন যে আমরা বুঝতেও পারিনি রাস্তা কত কঠিন হত যদি ফয়সাল ভাই পথ না দেখাতেন। ঝিরি পথ দিয়ে হাটতে হাটতে পাহারী সবুজের ফাঁকে ফাঁকে অসংখ্য ছোট, বড় ঝরনা দেখতে পেলাম। এর মাঝেই আমরা ছবি তুলার চেষ্টা করছিলাম সেই অদ্ভুত সুন্দর জায়গা গুলার। কিন্তু দ্বীপ বেচারা যত বারই ক্যামেরা বের করার চেষ্টা করছিল ততবারই বৃষ্টি বারছিল। আমরা সবাই মিলে দ্বীপ কে ঝারি মারতে লাগলাম যাতে সে ক্যেমেরা বের না করে বাকি রাস্তায়। সবাই কত গুলা ছবি তোলেছিল জানিনা তবে তোলার মতন যত গুলা যায়গা ছিল তার সব গুলা তুলতে গেলে কয়েকশ টেরাবাইট মেমরি লাগত। এক সময় সবাই ক্যেমেরা দিয়ে ছবি তুলা বাদ দিয়ে চোখদিয়ে ছবি তুলতে লাগল। সেই অসাধারন সুন্দর ঝিরি পথ দিয়ে হাটতে হাটতে মনে হচ্ছিল আমরা হয়ত কল্পনার কোন অগানা পথ দিয়ে হেটে যাচ্ছি যেখানে আছে ভয়, আনন্দ, উত্তেজনা, বিস্নয়, পরিশ্রম, বিশ্রাম। আমরা সবাই সেই ঝিরি পথ দিয়ে হাটি মাঝে মাঝে সমান জায়গা দেখলে আমরা বসি, বসে কিছুক্ষন বিশ্রাম করে আবার হাটি। মাঝে মাঝে আমরা সেই ঝিরির স্রোতের ভিতরে আমরা নিজেদের কে ছেড়ে দেই। এই ভাবে হাটতে হাটতে আমরা যখন ঝিরির রাস্তায় শেষ মাথায় পৌছলাম সেখানে এক অভুতপূর্ব সৌন্দর্যের সন্ধান পেলাম। প্রবল বেগে ঝিরির পানি বড় বড় পাথরের গায়ে আঘাত খেয়ে জায়গাটাকে পৃথিবীর বাইরের কোন স্বর্গীয় জায়গা মনে হচ্ছিল। আমরা সবাই নিজেদের ব্যাগপ্যাক রেখে সেই স্রোতোস্বী পানিতে খেলায় মেতে উঠলাম। ওই পানিতে নেমে আমাদের মনে হচ্ছিল আমরা সবাই কোন প্রাকৃতিক জ্যাকুজি তে গোছোল করছি। এই ভাবে কতক্ষন আমরা পানিতে দাপা দাপি করেছিলাম জানি না। তবে এক সময় আমাদের উঠতে হল সেই জ্যাকুজি থেকে। উঠার পরে আমরা বুঝতে পারলাম পানিতে থাকার কারনে আমরা সবাই জুন মাসের গরমেও রীতি মতন কাপছি ঠান্ডায়। আমরা কয়েকজন পাহারী উপায়ে হাল্কা গরম হবার চেষ্টা করে আবার হাটা শুরু করলাম, এইবার পাহারী রাস্তা দিয়ে। যেতে হবে সোজা উপর দিকে।

তা-জিং-ডং এর পাশ ঘেষেঃ

অনেক্ষন ঝিরিপথে হাটা এবং ঝিরির পানিতে দাপা দাপি করার কারনে মোটামোটি সবাই খানিকটা দুর্বল হয়ে পরেছিলাম। ঝিরি পথ থেকে যখন খাড়া পাহাড় বেয়ে আবার যখন উঠা শুরু করলাম তখন আগের দিনের জোকের কথা মনে পরে গেল। তবে ভাগ্য আমাদের ভালই ছিল বলতে হবে। জোক থাকলেও তা আগের দিনের মতন এত ব্যাপক আকারে ছিল না। দুর্বল শরীরে উঠতে কষ্ট হলেও বেশ মজা লাগছিল। আমরা হাটছিলাম পাহাড়ী ছোট ছোট জঙ্গলে এর ভিতর দিয়ে। এক দিকে বুনো পাহাড় আর অন্য দিকে গাছ পালার ফাঁক দিয়ে দূরের সবুজ পাহাড় এর সারি। বেশ অদ্ভুত এক অনুভূতি। আমরা সেই পাহাড়ী পথে কিছুদূর হাটি আবার একটু থামি, থেমে থেমে নিজেদের ভাগ্যকে ধন্যবাদ দেই সেই জায়গায় সুস্থ শরীরে থাকতে পারার জন্য। হাটতে হাটতে আমরা এক সময় একটু দূরে পাহাড়ের ফাঁক দিয়ে “তা-জিং-ডং” দেখতে পেলাম। তা-জিং-ডং এতো কাছ থেকে দেখে সেখানে যাওয়ার অনেক লোভ হচ্ছিল, কিন্তু জানি এই বর্ষায় রাস্তা অনেক খারাপ হয়ে আছে ইচ্ছা থাকা সত্তেও যাওয়া টা হয়ত খুব একটা সহজ হবে না। তা-জিং-ডং গাছ পালা আর পাহাড় এর ফাঁক দিয়ে দেখেই আমাদের রওনা দিতে হল। গন্ত্যব্য বাকলাই পাড়া। এভাবে কতক্ষন হাটছিলাম মনে নাই তবে সূর্য্য যতই পর্শ্চিম দিকে হেলে পরছিল আমরা ততই চিন্তিত হয়ে পরছিলাম। মনে কেবলি ভয় আমরা যদি আবার পথ হারিয়ে ফেলি। তবে সাহস পাচ্ছিলাম এই ভেবে আগের দিন যখন রাতের অন্ধকারে পথ খুজেঁ বোর্ডিং পাড়া পর্যন্ত আসতে পেরেছিলাম আজকে বাকলাই পাড়া অবশ্যই পৌচ্ছতে পারব। যদিও সেইদিন আমরা শেষ পর্যন্ত বাকলাই পাড়া পৌচ্ছতে পারিনাই। তবে কি হয়েছিল তা অন্য এক অন্য রোমাঞ্ছকর গল্প।

Photo Credit: Ashfaq Hasan & Zaqiul Deep

[fblike]

নতুন দুনিয়ার খোজে – পর্ব – ১

পূর্ব কথাঃ

অন্য আর সবার মতন ঘুরা ঘুরি করার আগ্রহ ছিল কিন্তু তা নিয়ে কখন উম্মাদনা ছিল না। পাহার নিয়েও একই কথা বলা যায়। সিলেট, চট্রগ্রাম কিংবা বান্দারবান যাবার সুবাদে পাহার দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল কিন্তু সেটার অনুভুতি ভাল লাগা থেকে বেশি কিছু ছিলনা। গতবছর (’১১) জানুয়ারি মাসে কেওকারাডং এর চূরায় বসে যখন দূর থেকে তা-জিং-ডং এর চূড়া মেঘ এবং কুয়াশার ফাঁক দিয়ে দেখছিলাম তখন পাশে বসে থাকা গাইড বলছিল তা-জিং-ডং এইখান থেকে আরও ২ দিনের পথ। আরও জানলাম তা-জিং-ডং থেকে আরও ভিতরে গেলে পাব সাকা হাফং যেটা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চূড়া। কেওকারাডং এর চূড়ায় বসে লালার হোটেলে মুগী দিয়ে ভাত খেতে খেতে এক বন্ধুর সঙ্গে আলাপ করছিলাম কেওকারাডং পর্যন্ত এসে এখান থেকে ঢাকায় ফেরত যাওয়াটা খুবই দুঃখ-জনক। ব্যাপার টা নদীর পারে এসে নদীতে গোছল না করার মতন। সঙ্গের বন্ধু কে বললাম পরের বার যেতে চায়কিনা আরো ভিতরে, অজানা কোন পথে। বন্ধু রাজি কিন্তু সমস্যা হল কিছুই তো জানিনা কিভাবে কি করতে হবে। কি করব চিন্তা করতে করতে কথা হল পাহার নিয়ে ফেইসবুকে ছবি দেয় এমন একজন বন্ধুর সঙ্গে। জানতে পারলাম তাদের একটা গ্রুপ আছে নাম ট্রাভেলারস অফ বাংলাদেশ। আরও জানাল তারা পরের সপ্তাহেই সাকা হাফং যাচ্ছে। আফসোস হল, কেন কেওকারাডং এ গেলাম তাই। না গেলে হয়ত সাকা হাফং যেতে পারতাম। সেই বন্ধু বুদ্ধি দিল তাদের গ্রুপে যোগ দিতে আর ইভেন্ট গুলাতে চোখ রাখতে। তাই করতে থাকলাম আর সুবিধা মতন সুযোগ খুজতে থাকলাম। জুন মাসের দিকে সুবিধা মতন এটা ইভেন্ট পেয়েও গেলাম। কিন্তু সমস্যা হল ইভেন্ট টা একটা Expedition টাইপের । আমার মতন নবীন এই ট্রিপের উপযুক্ত কিনা তা নিয়ে তর্ক হবে। google.com এবং youtube.com এর কল্যানে কিছুটা বিদ্যা অর্জন করে শাহবাগে ছুটলাম। লক্ষ, যেকোন ভাবেই হোক আমি ট্রিপে যাব। অতঃপর হাজার হাজার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে টিকে গেলাম, যদিও ধারনা করছিলাম কয়েকজন হয় ত আমাকে নিয়ে এখন দ্ধিধার মধ্যে আছে। আমি দ্ধিধা বারার না সুযোগ দিয়ে টিকেট কাটার টাকাটা দিয়ে চলে আসলাম। আর বাসায় বসে মানসিক ও শারিরীক প্রস্তুতি নিতে থাকলাম।

অতঃপর যাত্রাঃ

অতঃপর যাত্রার দিন ৩০শে জুন। সকাল থেকেই গুরি গুরি বৃষ্টি। সময় মতন অফিস থেকে বের হয়ে নির্দিষ্টি সময়ের মধ্যে বাস ছাড়ার নির্দিষ্ট স্থানে পৌছলাম। ঢাকা ছেড়ে বান্দারবানের দিকে যতই যাচ্ছিলাম বৃষ্টি ততই বাড়ছিল। ভোরবেলা আমরা যখন চট্রগ্রাম পার হলাম তখন চট্রগ্রামের রাস্তায় কেবল পানি আর পানি। আনুমানিক ১০ টা কি ১১ টার দিকে আমরা যখন বান্দরবান শহরে পৌছলাম তখন আবহাওয়া অনেকটাই ঠান্ডা। কিন্তু গত কয়দিনের টানা বৃষ্টিতে শহরের রাস্তাই চলাচলের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। পাহারী রাস্তায় হাটা যাবে কিনা তা নিয়ে অভিজ্ঞ যারা তারাই চিন্তিত হয়ে পরেছে। শেষ পর্যন্ত সিধান্ত নেওয়া হল রুমা বাজার দিয়ে না গিয়ে যাওয়া হবে থানচি দিয়ে। তাছাড়া রুমা বাজার দিয়ে গেলে হয় ত রাস্তার চেয়ে আর্মিই বেশি ঝামেলা করবে। চাঁন্দের গাড়িতে করে যখন থানচি পৌছলাম তখন ঘরির কাটায় প্রায় বিকাল ৩:৩০ বাজে। গাড়িথেকে নেমেই হাটা শুরু, পরবর্তি গন্তব্য বোর্ডিং পাড়া। আগেই বলে রাখি এর আগে আমার পাহাডী পথ দিয়ে হাটার দৌর কেওকারাডং পর্যন্ত যেটা আবার শীতকালে। এখন হাটছি থানচি থেকে বর্ডিং পাড়ার রাস্তায় যেটা আবার বর্ষাকালে। রাস্তা কেওকারাডং এর রাস্তার মতন সুন্দর না হলেও চার পাশের পাহাড়ী বুন ভাবের কারনে বেশ মজা লাগছিল। ঘন্টাখানেক এই ভাবে হাটার সময় টের পাচ্ছিলাম পাহাডী বুন ভাবটা আরও ঘন হচ্ছিল আরও  টের পাচ্ছিলাম বান্দরবানের বিখ্যাত জোক আমাদেরকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ক্ষনিকের এক পশলা হালকা বৃষ্টি হয়ে যাবার পর হঠাৎ করেই আমরা জোঁক দেখা শুরু করলাম। প্রথমে একটা দুইটা করে, পরে ঝাঁকে ঝাঁকে জোঁক আমাদেরকে তাড়া দিতে থাকল। কিভাবে জোক ছাড়াতে হয় তার উপর YouTube এ কিছু ভিডিও দেখছিলাম। সেখানে কিভাবে একটা জোক ছাড়েতে হয় তার উপায় বলা ছিল কিন্তু ঝাঁকে ঝাঁকে জোঁক থেকে বাঁচার উপায় বলা ছিল না। জোঁকের তাড়া খেয়ে আমরা একটা ঝিরির কাছে পৌছলাম। নিজেরা হাত পায়ে পানি দিয়ে পরিষ্কার হয়ে পিছনে তাকিয়ে দেখি দলের ১০ জনের মধ্যে ৩ জন কে দেখা যাচ্ছে না। কিচ্ছুক্ষন অপেক্ষা করলাম পরে দলের একজন (সালেহীন) খুজতে গেল অন্যদের। আরো কিচ্ছুক্ষন অপেক্ষা করলাম এবার অন্য তিন জনের সঙ্গে সালেহীনেরো কোন দেখা মিললনা আবার অন্যদিকে দিনের আলো কমা শুরু করছে। কিছুটা দুঃচিন্তার শুরু। আমাদের দলনেতা সুপারম্যান খ্যাত ফয়সাল ভাই ঘোসনা দিলেন আমরা সামনের দিকে আগাব। যেহেতু সালেহীন সহ বাকী তিনজন পাহাড়ে আসার অভিজ্ঞতা আছে তারা পথ চিনে আসতে পারবে। তারা হয়ত ইতিমধ্যে রউনা দিছে অন্য কোন পথ দিয়ে। আমার নিজেরো কিছুটা ভয় লাগছিল আর কেও এইটা নিয়ে খুব বেশি কথা বাড়ালনা দেখে আমরা রউনা দিলাম বোর্ড়িং পাড়ার দিকে।

 

আলোঃ

পাহারে খুব তাড়াতাড়ি অন্ধকার নামে এইটা ছোটবেলায় গল্পের বইয়ে পড়েছিলাম। পাহাড়ে এসে এই কথা অক্ষরে অক্ষরে প্রমান পেলাম। তার উপর আমাবস্যার সময় ছিল তখন, এর সঙে যোগ হয়েছে বর্ষার মেঘ। পরিবেশ এত অন্ধকার যে আকাশের তারা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিলনা। এর মাঝখানেই আমরা হাটচ্ছি কাদার কারনে পিচ্ছিল রাস্তা দিয়ে সঙে জোঁকের কামর। পথ দেখার একমাত্র উপায় টর্চ লাইট। চারপাশে শুধু পাহাড়ী বুন পোকার ডাক, মাঝে মাঝেয় আমাদের কেউ পিচ্ছলা খেয়ে পরে যাবার শব্দ আর স্থাপতবিদ্যার প্রতিভাবান ছাত্রী বদ্রুর আকুতি “রাস্তা কেন শেষ হয় না” ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। অন্ধকার হবার পর কতক্ষন ধরে হাটছি জানিনা। জানিনা সবার মনের এবং শরিরের অবস্থা কি ছিল তবে বলতে দিদ্ধা নেই আমি ভিতরে ভিতরে বেশ ভয় ই পাচ্ছিলাম। সাহস পাচ্ছিলাম এই ভেবে যে আমি তো আর একা নেই। যদি কোন বিপদ হয় সবাই একসাথে মোকাবেলা করব। অন্ধকার হবার ঘন্টা দুই পরেও যখন পাড়ার দেখা পেলাম না। তখন আমার মনের ভিতর সন্দেহ হতে থাকেযে আমরা পথ হারাই নাই তো আবার। উচু, নিচু, খাডা, ঢালু, সরু রাস্তা দিয়ে চলার ফাকে ফাকে আলো দেখার চেস্টা করছিলাম দূরে। জোনাকী পোকার আলো দেখে পাড়ার আলো মনে করে প্রাই ভুল করছিলাম।  এভাবে চলতে চলতে হথাৎ করে নিবিরের চিৎকার। প্রথমে ভাবলাম নিবির কি কোন গর্তে পরে গেছে নাকি। পরে কাছে গিয়ে দেখলাম নিবির দূরে আলো দেখে চিৎকার দিছে। আমরা যখন বোর্ডিং পাড়ার ঝিরির পাড়ে পৌচ্ছলাম আমি টের পাচ্ছিলাম আমার গায়ে আর এক ফোটা শক্তিও বাকি নেই। ওইখান থেকে কারবারী বাড়ি পর্যন্ত কিভাবে গেছিলাম আমার মনে নাই। তবে পরের দিন সকালে ঘুম ভাঙ্গার পরে চার পাশে তাকিয়ে যা দেখেছি সেই প্রাপ্তি আগের দিনের সব কষ্ট দূর করে দিয়েছিল।

[fblike]

Fairy Tale [Not a Happy Ending]

Once upon a time long ago there was a beautiful kingdom. But she had an enchantment upon her of a fearful sort which could only be independent by her people’s sacrifice. She was dominated by a fearful dictator. Many brave citizen had attempted to free her from this dreadful situation but none prevailed. She waited in the dictator’s keep for the right man to lead the nation and free her forever. Finally a great man show up. He lead the nation with great sprite and free her from that dictator. During this millions of people have been martyred and many women were raped and killed. With those sacrifices finally victory came and the nation make that one great man as their king. When citizen of that country dream of a better life under the new king, suddenly that great man were killed along with his family except two of her evil daughter. After the period of that great man some tried to overtook the power of that kingdom and some were given for a period of time. None were serve properly to make smile of her and the kingdom’s people. It was a dark time for the whole kingdom. The nation also tried to give the Kingship one of that great man daughter as it turn out she was not only an evil but a witch who created terror all around the kingdom. During her period people were threaten and killed like it was not seen before. After that the nation decided to give the power to another great hero’s wife she also follow the path of her previous king as during her period the kingdom turn in to a corrupted kingdom.

Now history is repeated again as the great man daughter is again in power and the citizen of that kingdom is scared of death by road accident. The price of food is goes up, living standard is very low, young are suffering to get proper education, poor died without proper medicine and health care. In one word none is happening right so that citizen of that kingdom can dream of a better day. Now the citizen prayed and hoping some day some great man will shows up and save the kingdom once and forever.

Oslo attack is an International Calamity

After knowing the shocking news about Oslo terrorist attack first thing I had in my mind, whether the attacker is a Muslim or not. As recent days whenever any big attacks were news or broadcasted by international media are claimed that they were made by Muslim terrorist group in fact major attack were made my so called Muslim terrorist group. However, I have learned the fact that psycho who is accused of bombing government building and killing scores of around hundred people is in fact a non-Muslim. As the time goes by I was fascinated to learn the fact that he had closely followed the acrimonious American debt over Islam. From multiple sources I have found that he in fact denounced Norwegian politician as failing to defend the country from Islamic influence. He has a believe that migrate Muslim community destroy western civilization. There have been a lot of debates around the world. However, my fear is probably that will influence Muslim community to get an opportunity to blame the opposite group.

My point of view about this is evil people exists in all community in all size and shape. Some case they use religion to perform his or her evil will some case they use nationalistic view. But we must not forget or forgive those event and we must aware of those kinds of people. And in the same time we muse careful to avoid similar kind of hard breaking event. May almighty rest those poor soul in peace.

In Search of a New World [Season 1]

Overview:

Our mission is to go to Bandarban to discover a world which is new in our necked eyes. We will start our journey from Kalabagan around 2300 local time. Our first stoppage is Bandarban city there we will stay at Milon Chori. During stay at Bandarban we will visit some sight sin in Bandarban. After the following day we will head to Boga Lake via ruma bazaar. From Boga Lake we will start our journey to conquer Keokradang. After then we will coming back to Dhaka.

”]Keokradang

Crews:

  1. Mustafa Zaman
  2. Zamil S. Khan
  3. Shariful Islam-Rabbi
  4. Mohibuzzaman Zico

Mission Objectives:

  • Visit a new world.
  • Visit Golden Temple.
  • Some other Place in Bandarban
  • Visit Nilgiri.
  • Conquer Keokradang.
  • Staying at Baga Lake.
  • Bar-B-Q at Baga Lake.
  • Drink some local drink.
  • Shoot a lot of Photo.

Success Criteria:

  • Visit Boga lake
  • Conquer Keokradang

Constraints:

  • Manage enthuse Zamil could be challenging.
  • We might get tired.
  • Local Law and order situation could cause delay of our tour

Key assumption:

  • We will be in good shape.
  • We will manage transport and residence.

Check list:

  1. Mobile along with charger
  2. Camera with extra battery
  3. Portable hard drive ( we are expecting we can get laptop from any kind person so that we can get a back up of our photo that we shoot earlier)
  4. Mosquito coil
  5. Cigarette (4 packet each)
  6. Cash (BDT 4000.00 + each)
  7. Medicine (pain killer, flazil, Orsaline)
  8. Glucose
  9. Chocolates (Non wafer)
  10. Torch light
  11. Lot of strength
  12. Grocery items (toothpaste, toothbrush, soap, candle, Others)

Journey Overview:

Our journey starts 3rd of January 2011 from Kalabagan by Saudia Bus service around 2300 local time. We are expecting to return Dhaka by 7 January around 2200 local time.

3rd January 2011:

Journey will start from Kalabagan Bus stand around 2300 local time via Saudia Bus Service. We will arrive bus stoppage 15 to 30 minutes before bus leaves. Probably that will be most highlighting event of that day.

4th January 2011:

Around 0200 local time we will be at Chouddo Gram which is somewhere in Comilla. That will be our first stoppage of our first bus journey. By 0600 local time we are expecting to have our second stoppage. This time it will be in Chittagong. We are expecting our first bus journey will end around 0830 local time and we will be in Bandarban City. As soon as we arrive at Bandarban bus stand we will find a taxi which will take us to Milon Soru resthouse as our beloved photographer Haider vai already make all the arrangement for us to stay there. We would like to thank him. During our visit at Bandarban city we are going to explore some near tourist place such as Golden Temple, Chimbuk and so on. We are hoping to visit Nil-giri though it will be tough to find available time by that time. If we can’t make it that day we will try to manage visit Nilgiri on the way back to Dhaka from Bogalake. Lest just hope we will manage to visit Nilgiri. Not to mention we already heard lot about the delicious food of Milon Chori do we don’t want to miss that. We are expecting to eat as much items and quantity as we can.

5th January 2011:

In the following day (5th January) by 0600 local time we will start our journey. This time our destination is Bogalake. Actually, this will be the moment when our true journey will start. We already aware of the situation that, there is no direct transport or road to go Bogalake. We will have to change our transport couple of time. From our rest house first we will go to Ruma Station then we take Chander gari which will take us to the bank of Sangu River or Ruma Khal. By boar we have to cross the river. After that we will visit local Police Station or Army Station to notify that four mentally lost boys want to get lost in to the wild. Probably by hearing this they will give us a guide. I guess that will be burden for our journey. Anyway, here our main focus is to go to Bogalake as soon as we can. We will try to manage a transport. We will try hard to go to Bogalake by 1400 hour and ensure a living place. There we will try to stay at Laram rest house. During evening time we will try to socialize with the environment and try to settle down and have a peace. May be we will shoot some photo or try to discover what is under Bogalake or why it is Boga not Dog-a or Moga. I guess that will be all for that day. We will need some sleep for the following day. Before we go to bed we will confirm the following day Bar-B-Q and confirm local John Denver Mr. Rubart. This will be end of another day and still we look forward for another sunrise coz that will be something unforgettable sunrise.

6th January 2011:

This is a very special day for all of us coz this day we will march with the sprite of Musa Ibrahim the first conquer of Everest as a Bangladeshi. I don’t know about rest of my crew member but I will be Musa Ibrahim of my family (family include only my Mother, Father and my little sister, defiantly not my cousins coz some of them already did it several times.) To do this we have to move very early. We will start with the sunrise. We will start walking till we have our self at the top of Keokradang. We will come down whenever we feel like coming down. If we don’t feel to coming down we probably won’t coming down. Let’s wait till that moment. However, if we ever come down then during the night time we will enjoy our Bar-B-Q or we will rather stay at the peak of Keokradang.

7th January 2011 or some other day:

If we home sick and miss our beloved family and friends then we will come back to you. You don’t have to bring flowers to bus stand just know we come back because we miss you. I hope you do miss us the same way we do. To acknowledge the fact please give us a treat some place nice. What do you say… just tell us when and where we will be there.

The Return of the Lost Boys:

If we come back then we will again stuck at our busy schedule with our boring non exciting profession or education. By the mean time we will dream of Bandarban and planning to go back again. This time destination is Tajindong. Yes, we will. Some day we will. Good Night everyone have a blast.

Burma seeking nuclear weapons!!! Should we be worried?

As a Bangladeshi we often forgot to point out the causes that created harm for Bangladesh because we are overwhelmed with our internal problems. From many sectors we were being pressured by other foreign countries and as a citizen we have a growing tendency to skip those issues. If we carefully look on the newspaper we often obtain some powerful nation’s ambassador make negative comment on our internal affairs. I do not deny sometime it is useful but in most case it is nothing but a poor judgment. After we got independence we often observed that many nations shows their interest on our nation policy and it is seen they are the benefit of there not ours. Such case is Ganga Dam. Even it is mentioned in international law that a river crosses two country are not allowed to create blockage by any country. However, India did it and it is clearly not helping our country.

There are thousands of examples that can be mention but the message is clear if any country start doing something we as a nation should recognize the consequence and if it is a close neighboring country we should be extra careful. Recently WikiLeaks says Burma’s military government may be building underground nuclear sites with the help of North Korea. Now, India has this kind of destructive technology for many years and if Burma has it too then I believe we should be worry. The main reason is geographically Burma and India are two closest neighboring country. What WikiLeaks told, if it is true then it is big news. I am not suggesting Bangladesh government to have this technology if they want to avoid the risk of uncertainty. I am telling if someone is affected by this, Bangladesh will be the first country and we should aware of this burning issue. We should analyze the risk and consequence of this matter. We should make everyone very clear that as a developing country we seek peace and development of ours and the world not aggression like other hypocrite does very often.

Life at Work

After finishing study everyone want to build up a carrier the field he love. Often they start with something and ended up with something else. It is a very complex world. You will not love every part of it. You might love the responsibility but you have serious issue with your colleagues or your supervisor. However, at the end of the day you have to admit and do what you have to do.